গ্যাসের দাম বাড়ানোর গণশুনানির প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ক্যাব)। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে শুনানি শুরুর আগে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে বিয়াম ফাউন্ডেশনের সামনে মানববন্ধনে দাঁড়ায় সংগঠনটির সদস্যরা। তাদের দাবি, প্রহসনের শুনানি বাতিল করতে হবে। এই প্রতিবেদন লেখা (১১টা ৪৫) পর্যন্ত মানববন্ধন চলছিল।
প্রসঙ্গত, নতুন শিল্প কারখানার বয়লার ও শিল্প কারখানার জেনারেটরে (ক্যাপটিভ) সরবরাহ করা গ্যাসের দাম যথাক্রমে ৩০ ও ৩১ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭৫ টাকা ৭২ পয়সা করার প্রস্তাব করেছে পেট্রোবাংলা। সেই প্রস্তাবের ওপর শুনানি চলছে এখন বিয়াম অডিটোরিয়ামে।
জানা যায়, ক্যাবের পক্ষ থেকে এর আগে শুনানি বাতিল করার জন্য লিখিত আবেদন করা হয়েছিল। সেই আবেদনে সাড়া না পেয়ে ২২ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলন করা হয়।বিইআরসির কাছের ক্যাবের দাবিগুলো হচ্ছে, বিগত ১৫ বছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহে সমন্বয়কৃত লুণ্ঠনমূলক ব্যয়ের সর্বমোট পরিমান নির্ধারণ করতে হবে এবং বিদ্যমান মূল্যহারে সমন্বয়কৃত লুণ্ঠনমূলক ব্যয় কমিয়ে মূল্যহার কমাতে হবে, জ্বালানি অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে এবং জ্বালানি অধিকার সংরক্ষণের লক্ষ্যে জ্বালানি সুবিচার নিশ্চিত করার জন্য বিইআরসি আইন সংস্কার করতে হবে।
ভোক্তাদের প্রতি তারা আহ্বান জানিয়ে বলেন, লুণ্ঠনমূলক ব্যয় রোধ করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যহার না কমিয়ে মূল্যহার বৃদ্ধির জন্য বিইআরসি শুনানিসহ ভোক্তাস্বার্থ বিরোধী সকল কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। ফলে বিইআরসি'র গণবিরোধী এসব কার্যক্রমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান এবং প্রতিরোধ করুন। রাজধানী, বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তুলুন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যান।মানববন্ধনে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক এম এম আকাশ, রুহিন হোসেন প্রিন্স, অধ্যাপক মিজানুর রহমান, ফারহান নূর, জালাল উদ্দিন, মহিউদ্দিন আহমেদ, মনির উদ্দিন পাপ্পু, আলমগীর কবিরসহ আরও অনেকে উপস্থিত আছেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন